গাজা: ঈমান ও সংগ্রামের এক অমর উপাখ্যান

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও যেখানে ফুরিয়ে যায় না আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা। গাজা আজ কেবল একটি ভূখণ্ড নয়, বরং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ধমনীতে প্রবাহিত এক রক্তাক্ত প্রেরণা।

পবিত্র আল আকসা

আমাদের প্রথম কিবলা, আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন

অবিচল ঈমান

হার না মানা মানুষের গল্প

শৈশবের আর্তনাদ

বড় হওয়ার আগেই যারা হারিয়েছে সবকিছু

স্বাধীনতার স্বপ্ন

দখলদারিত্বের অবসান হবেই ইনশাআল্লাহ

গাজা আজ নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহর এক রক্তাক্ত ভূমি। এখানকার মানুষ দৃঢ় ঈমান নিয়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। তারা খাদ্য, পানি, ওষুধের অভাবে কষ্ট পেলেও আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে স্বাধীনতার জন্য লড়ছে। গাজার প্রতিটি শিশু, নারী ও বৃদ্ধ আমাদের দোয়া ও সমর্থনের অধিকারী।

জ্বালানি বা বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালগুলো মোমবাতির আলোয় পরিচালিত হচ্ছে। সাহায্যকর্মীরা জানাচ্ছেন, শিশুরা ক্লান্ত নয়, বরং ক্ষুধায় ঘুমিয়ে পড়ছে। এই মানসিক ও শারীরিক কষ্টের বোঝা আমাদের সকলেরই ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত।

ক্ষয়ক্ষতি ও বর্তমান অবস্থা (তুলনামূলক চিত্র)

মোট শহীদ
৭০,০০০+ যুদ্ধের শুরুতে
৭৩,৬০০+ বর্তমান (২০২৬)

লড়াই কিছুটা কমলেও মৃত্যুর মিছিল থামেনি। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজারো মানুষ নিখোঁজ।

ঘরবাড়ি ধ্বংস
৬০% ২০২৪ সাল
৭০% বর্তমান অবস্থা

বসবাসযোগ্য কোনো জায়গা নেই বললেই চলে। পুনর্গঠন প্রক্রিয়া এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি।

মানবিক সহায়তা
অবরুদ্ধ অতীত
সীমিত বর্তমান

কিছুটা ত্রাণ প্রবেশ করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট এখনও কাটেনি।

সংগ্রামের কিছু স্থিরচিত্র

আপনি যেভাবে অকুতোভয় গাজাকে সাহায্য করতে পারেন

গাজায় চলমান সংকটের সময় প্রতিটি ছোট সাহায্যই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আপনি দানের মাধ্যমে খাদ্য, পানি, ওষুধ বা নিরাপদ আশ্রয়ের সরবরাহে সহায়তা করতে পারেন। এছাড়াও সচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের জন্য দোয়া করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।

⚙️ আমরা সর্বদা সহীহ ও নির্ভুল তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করি। গাজার পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, তাই আমরা নিয়মিত তথ্য আপডেট করার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ মজলুম ফিলিস্তিনিদের সহায় হোন।