- ১. রমজান হলো আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস। এই মাসে প্রতিটি নফল ইবাদতের সওয়াব ফরজের সমান এবং ফরজের সওয়াব ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
- ২. রোজা মানে শুধু না খেয়ে থাকা নয়, বরং সকল প্রকার অন্যায় কাজ, মিথ্যা কথা এবং গীবত থেকে নিজের জিহ্বা ও মনকে বিরত রাখা।
- ৩. রমজান মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন, কারণ এই মাসেই পবিত্র কুরআন নাযিল হয়েছে।
- ৪. ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়। তাই ইফতারের আগে নিজের জন্য ও মুসলিম উম্মাহর জন্য কল্যাণের দোয়া করুন।
- ৫. রমজানের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করুন, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।
রমজান গাইডলাইন
রোজার নিয়ত আরবিতে ও বাংলায়
نَوَيْتُ اَنْ اَصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمَضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضًا لَّكَ
يَا اَللهُ فَتَقَبَّلْ مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ
উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আসুমা গাদাম মিন শাহরি রামাদ্বানাল মুবারাকি ফারদ্বাল্লাকা ইয়া আল্লাহু
ফাতাক্বাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আন্তাস সামীউল আলীম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজান মাসের নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করছি। অতএব আপনি আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।
দোয়া ও জিকির
ইফতারের সময় পড়ার দোয়া
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজক্বিকা আফtarতু।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং আপনারই দেয়া রিযিক দিয়ে ইফতার করছি।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ২২৫৭
শবে কদরে বেশি বেশি পড়ার দোয়া
اَللَّهُمَّ اِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি।
অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করাকে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।
তিরমিজি ৩৫১৩